১৪ জানুয়ারি ফারাক্কার বিডিও অফিসে সরকারি কাজ চলাকালীন ব্যাপক ভাঙচুর ও তাণ্ডবের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিও নির্বাচন কমিশনের হাতে পৌঁছনোর পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের দাবি, ভিডিওতে তৃণমুল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের বক্তব্য ও আচরণ প্ররোচনামূলক এবং উসকানিমূলক। সেই কারণেই মুর্শিদাবাদের জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিকেল ৫টার মধ্যে বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
এই ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এতদিন পর্যন্ত বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়নি। যদিও ঘটনায় একজন তৃণমূল নেতা এবং চারজন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারদের মধ্যে ফরাক্কার যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলামও রয়েছেন। বিরোধীদের অভিযোগ, শুরুতেই যদি বিধায়কের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে পরে চাকুলিয়ায় এত বড় অশান্তির ঘটনা ঘটত না। তাঁদের দাবি, ফারাক্কার ঘটনায় পুলিশের ঢিলেমির ফলেই বৃহস্পতিবার চাকুলিয়ায় বড়সড় বিক্ষোভ হয় এবং সেখানে এক আইসি গুরুতর জখম হন।
তবে এই সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। তাঁর বক্তব্য, তিনি মানুষকে শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর দাবি, ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি জড়িত নন। ফুটেজ দেখিয়ে দিলে তবেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করা হোক বলে তিনি জানান। এদিকে বুধবারের ঘটনার পর ফারাক্কার বিডিও অফিসে কিছু সময়ের জন্য SIR শুনানি বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ফের শুনানি শুরু হয়েছে। ফারাক্কার বিডিও জুনেইদ আহমেদ জানিয়েছেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত করছে।


