ভোটের আগেই নিজের জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। বৃহস্পতিবার রেজিনগরে নিজের অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, বিধানসভা নির্বাচনের পর তিনিই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তিনি বলেন, মানুষের ভরসায় ও পরিশ্রমের জোরে তাঁর দল ১০০ থেকে ১১০টি আসনে জিতবে এবং একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসবে। হুমায়ুন কবীর আরও জানান, সরকার গড়ার জন্য বিজেপির সমর্থন নিতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তিনি বলেন, বিজেপি যদি ৯৯টি আসনও পায়, তাহলে তাকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে হবে। এই বক্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে যে বিজেপির সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
জেলা তৃণমূল কংগ্রেস তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। তৃণমূল নেতাদের দাবি, হুমায়ুন কবীর আসলে বিজেপির হাতের পুতুল এবং গেরুয়া শিবিরের নির্দেশেই তিনি রাজনীতি করছেন। তাঁদের বক্তব্য, বিজেপির বি-টিম হিসেবেই ভোটে দাঁড়িয়ে নানা অবাস্তব স্বপ্ন দেখছেন তিনি। নিজের বক্তব্যে হুমায়ুন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের উদাহরণও টানেন। তিনি বলেন, কম আসন পেলেও নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তাই তিনিও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যপালের কাছে সরকার গড়ার দাবি জানাবেন। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৭৫টি আসন পেতে পারে এবং ভোটের পর সরকার গড়বেন তিনিই।


