পুরুলিয়ার একটি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে এক ছাত্রকে র্যাগিংয়ের নামে হেনস্থার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ সামনে আসার পর এবার পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করল পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশন।
সংখ্যালঘু কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ছাত্রটির সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছিল, কলেজ কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নিয়েছিল—এই সব বিষয় জানতে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে।
অভিযোগকারী ছাত্রের পরিবারের দাবি, কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই ওই ছাত্রকে মানসিকভাবে চাপে রাখা হচ্ছিল। র্যাগিংয়ের নামে অপমান, ভয় দেখানো—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি পরিবারকে জানালে তারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়।
এই ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। পরিবারের অভিযোগ, প্রথমে কলেজের কাছে জানানো হলেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়নি। ফলে ছাত্রটির নিরাপত্তা ও মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটে।
ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সংখ্যালঘু কমিশন নড়েচড়ে বসে। কমিশনের বক্তব্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনওভাবেই র্যাগিং বরদাস্ত করা যায় না। বিশেষ করে যদি কোনও ছাত্র নিজেকে অনিরাপদ বোধ করে, তাহলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।
এখন কমিশনের রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ছাত্রটির পরিবার। তাঁদের আশা, এই তদন্তের মাধ্যমে সত্যটা সামনে আসবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


