ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে হঠাৎ করেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সরকারি সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টে একটি বার্তা প্রকাশের পর তা কিছুক্ষণের মধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হয়। সেই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।
সরকারি বার্তায় বলা হয়েছিল, সামাজিক মাধ্যমে নেতানিয়াহুর অবস্থান বা পরিস্থিতি নিয়ে যে সব গুজব ছড়াচ্ছে, সেগুলি এখনও নিশ্চিত নয়। নাগরিকদের যাচাই করা তথ্যের উপর নির্ভর করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চলছে এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে বার্তাটি প্রকাশের কিছু সময় পরই সেটি আর দেখা যায়নি বলে দাবি করেন অনেক ব্যবহারকারী। এরপর থেকেই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—কেন এমন বার্তা প্রকাশ করা হল এবং কেনই বা তা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হল।
এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে নানা রকম জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, পশ্চিম এশিয়ার চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই এই বার্তা প্রকাশ হওয়ায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে। যদিও সরকারি মহল এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এমন সংবেদনশীল সময়ে সরকারি স্তর থেকে অস্পষ্ট বার্তা প্রকাশ পেলে তা সহজেই জল্পনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমে খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
তবে ইজরায়েল সরকারের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে, যাচাই না করা খবর বা গুজবের উপর ভরসা না করে সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে। ঘটনাটি নিয়ে আপাতত কৌতূহল ও আলোচনাই বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।


