ধনিয়াখালির এক স্কুলশিক্ষককে ঘিরে ভোটের আগে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখ জাহাঙ্গীর কবি মন্ডল, ২০০৬ সাল থেকে একাধিক নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবারের নির্বাচনেও কাজের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তিনি দু’দফা প্রশিক্ষণও সম্পূর্ণ করেন। কিন্তু হঠাৎ করেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ পড়ে যায়।
সোমসপুরের একটি স্কুলে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত জাহাঙ্গীরবাবু জানান, গত ২৭ মার্চ প্রকাশিত একটি তালিকা দেখে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। আশ্চর্যের বিষয়, তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম তালিকায় থাকলেও শুধুমাত্র তাঁর নামই বাদ গেছে। প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা দেওয়ার পরও কেন এমন হলো, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি বলেই অভিযোগ তাঁর।
এই সমস্যার সমাধান খুঁজতে তিনি চুঁচুড়ায় ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হন। তাঁর কথায়, নির্বাচন কমিশন যদি নির্দিষ্ট করে জানাত কোন নথির অভাব রয়েছে, তাহলে তা জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু তা না হওয়ায় তিনি অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, নিজের নাম ভোটার তালিকায় না থাকলেও তাঁকেই আবার ভোট গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।


