সাধারণ মানুষের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যা নিয়ে বরাবরই বেশ সরব ছিলেন রাঘব চাড্ডা। টেলিকম সংস্থাগুলোর রিচার্জের চক্রান্ত থেকে শুরু করে অস্থায়ী কর্মীদের অধিকার কিংবা পিতৃত্বকালীন ছুটি—নানা বিষয়ে তাঁকে সংসদে আওয়াজ তুলতে দেখা গেছে। তবে সম্প্রতি সারাদেশে প্রশ্নফাঁসের মতো সংবেদনশীল ঘটনা নিয়ে শাসকদলের এই সাংসদের নীরবতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছিল। আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এই ইস্যুতে কেন তিনি চুপ, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ ও মিমের বন্যা বয়ে যায়।
অবশেষে সেই নীরবতার কারণ স্পষ্ট করেছেন রাঘব নিজেই। বিরোধীদের যাবতীয় ট্রোল ও কটাক্ষের জবাব দিয়ে তিনি জানান, রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তনের কারণেই তাঁর কাজের ধরনে বদল এসেছে। তাঁর কথায়, আগে তিনি বিরোধী দলে ছিলেন, তাই সরকারের কাছে প্রশ্ন তোলা ও দাবি জানানোই ছিল তাঁর প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু এখন তিনি শাসক শিবিরের সদস্য। ফলে শুধুই প্রশ্ন তুলে সুর চড়ানো তাঁর কাজ নয়, বরং সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, নিজের কাছে শপথ নিয়েছিলেন যে দিন এই সমস্যার সঠিক আইনি সমাধান হাতে আসবে, সেদিনই তিনি মুখ খুলবেন। কেন্দ্র সরকার সংসদে প্রশ্নফাঁস বিরোধী কড়া বিল নিয়ে আসতেই লোকসভার পর রাজ্যসভায় বিষয়টি নিয়ে সরব হন তিনি। বিজেপি সাংসদ হিসেবে এটিই ছিল তাঁর প্রথম বক্তব্য, যার মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সব সমালোচনার অবসান ঘটাতে চাইলেন তিনি।


