আমেরিকায় পড়াশোনা, দেশে ফিরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) গড়ে নিট পরীক্ষার অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন—এই সবকিছুর জেরে বারবার বিতর্কে এসেছেন অভিজিৎ দীপকে। তাঁর বিদেশে পড়াশোনার খরচ এবং সংগঠনের অর্থের উৎস নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। এবার সেই সব অভিযোগের জবাব দিলেন তিনি।
অভিজিৎ জানান, আমেরিকায় পড়ার জন্য বাবার টাকার উপর নির্ভর করতে হয়নি। বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ পেয়েই তিনি উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান। পাশাপাশি পড়াশোনার জন্য শিক্ষা ঋণও নিয়েছিলেন, যা এখন শোধ করার সময় এসেছে। নিজের দাবি প্রমাণ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া স্কলারশিপের নথিও প্রকাশ করেছেন তিনি।
অভিজিতের বাবা মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তাঁর বেতন দিয়ে কীভাবে ছেলেকে বিদেশে পড়তে পাঠানো সম্ভব হল, সেই প্রশ্ন তুলে সমাজকর্মী অমিত তিওয়ারি তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) আবেদন করেছিলেন।
এদিকে, সিজেপির আন্দোলনের সময় বিদেশ থেকে অর্থসাহায্য পাওয়া এবং সংগঠনের তহবিল নিয়ে নানা অভিযোগও ওঠে। তবে অভিজিৎ সেই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, আন্দোলনের সময় সাধারণ মানুষই পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কেউ খাবার দিয়েছেন, কেউ জল পৌঁছে দিয়েছেন। এমনকি কয়েকজন পুলিশকর্মীও পরিচয় গোপন রেখে সাহায্য করেছিলেন। তাঁদের মতে, নিট পরীক্ষার অনিয়মের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের জন্য জরুরি ছিল।


