গ্রেপ্তারি এড়াতে এবং নিজের সুরক্ষার আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হলেন বীরভূমের প্রভাবশালী ‘পাথর ব্যবসায়ী’ টুলু মণ্ডল। বুধবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি তোলার আর্জি জানালে আইনি আবেদন করার অনুমতি দেওয়া হয়। চলতি সপ্তাহের শেষেই এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত বীরভূমের মহম্মদবাজারের ডেউচা গ্রামে। সম্প্রতি টুলুর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে নগদ সাড়ে ২৮ কোটি টাকা এবং ১৫ কেজিরও বেশি ওজনের সোনার অলংকার বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা হয়ে যান বীরভূমের বিতর্কিত এই ব্যবসায়ী। তিনি সীমান্ত পেরিয়ে বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মূল অভিযুক্ত হিসেবে টুলুর নাম যুক্ত করে এফআইআর দায়ের করে।
পুলিশ সূত্রের খবর, টুলুর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, তোলাবাজি ও জোরপূর্বক জমি দখলের একাধিক পুরনো মামলা রয়েছে। বর্তমানে পুলিশি তৎপরতা বাড়তে দেখে এবং গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় তিনি আইনি ছত্রছায়ায় সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছেন। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন কীভাবে এমন বিপুল পরিমাণ কালো টাকা ও সোনা জমা করা হলো এবং এর সাথে সরকারি কর ফাঁকির কোনো বড় চক্র যুক্ত রয়েছে কি না। ইতোমধ্যে এই মামলায় পুলিশ টুলুর ম্যানেজার সীতেশ প্রামাণিককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।


