উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলার দেওবন্দে একটি রেস্তরাঁয় চিকেন বিরিয়ানি বিক্রি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শ্রাবণ মাসে কানওয়ার যাত্রার নির্দিষ্ট পথে আমিষ খাবার বিক্রির উপর প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই নিয়মের কথা তুলে ধরে রেস্তরাঁটির বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছেন বজরং দলের সদস্যরা।সোমবার, ১০ অগস্ট সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়োকে কেন্দ্র করে বিষয়টি সামনে আসে। ভিডিয়োয় বজরং দলের সদস্য অজয় প্রজাপতি ও রুদ্র মিশ্রকে দেওবন্দের ‘হায়দরাবাদ চিকেন পয়েন্ট’ নামে একটি রেস্তরাঁয় দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। পুলিশ রেস্তরাঁটির ভিতরে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন বলে ভিডিয়োয় দেখা যায়।বজরং দলের এক সদস্যের অভিযোগ, প্রশাসনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ওই রেস্তরাঁয় প্রকাশ্যে চিকেন বিক্রি করা হচ্ছিল। রেস্তরাঁর সামনে আমিষ খাবারের বিজ্ঞাপনও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।প্রশাসনের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, শ্রাবণ মাসে কানওয়ার যাত্রার জন্য নির্দিষ্ট কিছু রাস্তা দিয়ে বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থী যাতায়াত করেন। তাঁদের চলাচলের কথা মাথায় রেখে ওই সব রুটের পাশে মাংস, চিকেন, মাছ-সহ বিভিন্ন ধরনের আমিষ খাবার বিক্রির উপর বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।এর আগেও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় কানওয়ার যাত্রার রুটে আমিষ খাবার বিক্রির অভিযোগে পদক্ষেপ করার খবর সামনে এসেছে। বেয়ারেলি জেলার বাহেরিতে এমনই একটি ঘটনায় একটি দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযোগ, আগেই সতর্ক করা সত্ত্বেও পুরনো রোডওয়েজ বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি দোকানে চিকেন বিরিয়ানি বিক্রি চলছিল। পুলিশ দোকানের দুই কর্মী সালমান ও রইসকে আটক করে।এর পর ঘটনাস্থলে জেসিবি নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় পুলিশ সূত্রের দাবি, দোকানের টিনের ছাউনি এবং কাউন্টার সরিয়ে দেওয়া হয়। বেকারি এলাকার কাছেও আরও একটি দোকানে একই ধরনের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে দু’জনকে আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে।
Popular Categories

