সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে ফের প্রতিবাদে সরব আইন পড়ুয়ারা। প্রধান বিচারপতির একটি বিতর্কিত ‘ককরোচ’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই বিভিন্ন আইন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। প্রথমে মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেসে একই ধরনের আপত্তি ওঠে। পরে হায়দরাবাদের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ লিগাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চেও প্রতিবাদ দেখা যায়। সেই সময় বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের আইনজীবী হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার কথা জানিয়েছিল বার কাউন্সিল। পরে বিতর্কের মুখে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়।
এবার ঘটনাস্থল বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ল স্কুল অফ ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি (NLSIU)। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর সমাবর্তনের দিন ঠিক ছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতির পাশাপাশি বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্রকেও অতিথি হিসেবে ডাকা হয়েছিল।
এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ও প্রাক্তনীদের একাংশ। প্রায় ৭০০ জনের স্বাক্ষর করা প্রতিবাদপত্রে আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি, হায়দরাবাদের আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া ও শিক্ষকদের কাছে বার কাউন্সিলকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের দাবি, সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কাতেই অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রধান বিচারপতিকে ঘিরে বিতর্ক নতুন করে জাতীয় স্তরে আলোচনায় এসেছে।
এবার বেঙ্গালুরুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার জানায়, নির্ধারিত সমাবর্তন আপাতত হচ্ছে না। পরিবর্তে পড়ুয়াদের আলাদা ভাবে ডিগ্রি দেওয়া হবে।


