উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ-কৌশাম্বী সীমান্তে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত্যু হল অন্তত ৮ জনের। মৃতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ কৌশাম্বী জেলার মহম্মদপুরে একটি বাজি তৈরির কারখানায় এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে মানুরি বায়ুসেনা ঘাঁটির দূরত্ব মাত্র ২ কিলোমিটার। বিস্ফোরণের সময় কারখানায় প্রায় ১৫ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে গোটা কারখানাটি আগুনে পুড়ে যায়। প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। প্রায় ২ কিলোমিটার দূর থেকেও বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা যায়।
বিস্ফোরণের ধাক্কায় কারখানার ৫০ মিটারের মধ্যে থাকা সাতটি বাড়ি পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। আরও বেশ কিছু বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধোঁয়া ও ধুলোর চাদরে ঢেকে যায় গোটা এলাকা।
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকল। উদ্ধারকাজে যোগ দেন কাছের বায়ুসেনা ঘাঁটির কর্মীরাও। স্থানীয় বাসিন্দারাও আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে হাসপাতালে পাঠান। ধ্বংসাবশেষ সরাতে ব্যবহার করা হচ্ছে বুলডোজার।
কারখানাটির মালিক আদিল বলে জানা গিয়েছে। সেখানে বাজি তৈরির সরকারি অনুমতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এক কিশোরী জানিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় বাড়িতে সে, তার মা ও ছোট ভাই ছিল। কোনওমতে সে বেরোতে পারলেও বাকিরা ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন।

