ভাইস প্রেসিডেন্টস পেনশন অ্যাক্ট, ১৯৯৭ অনুযায়ী, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি মাসে ২ লক্ষ টাকা পেনশন পান। পাশাপাশি তাঁর জন্য টাইপ-৮ শ্রেণির সরকারি বাংলোর ব্যবস্থাও রয়েছে। ওই বাড়ির ভাড়া, বিদ্যুৎ, জল, ফোন এবং আসবাবের খরচ বহন করতে হয় না। ট্রেন ও বিমানে যাতায়াত এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রেও বিশেষ সুবিধা পাওয়ার কথা প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির।
পদ ছাড়ার এক বছরেরও বেশি সময় কেটে গেলেও প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় এখনও সরকারি বাংলো পাননি বলে খবর। বর্তমানে তিনি হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌটালার ছেলে অভয় সিং চৌটালার ফার্মহাউসে থাকছেন।
তবে ধনকড়ের ক্ষেত্রে এখনও সরকারি বাসস্থানের ব্যবস্থা হয়নি বলে দাবি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের। অথচ তাঁর আগে উপরাষ্ট্রপতি থাকা এম ভেঙ্কাইয়া নায়ডু পদ ছাড়ার প্রায় দু’মাসের মধ্যেই সরকারি বাংলো পেয়েছিলেন।
জুলাইয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে জয়পুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ধনকড়। হৃদরোগের পর তাঁর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়। সরকারি বাংলো না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এখনও ধনকড় বা কেন্দ্রের তরফে কোনও প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
২০২৫ সালের ২১ জুলাই হঠাৎ উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন ধনকড়। এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন। ইস্তফার কয়েক সপ্তাহ পর অল্প সময়ের জন্য অভয় চৌটালার ফার্মহাউসে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই অস্থায়ী ঠিকানাই এখন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।


