অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়ার অভিযোগে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মহিলাদের প্রতিবাদ আরও তীব্র হয়েছে। শুক্রবার বিরাটি স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ রেললাইন আটকে রাখেন একদল মহিলা। পশ্চিম মেদিনীপুরে জেলাশাসকের দফতরেও বিক্ষোভ হয়। সেখানে পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বৈঠক ছেড়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি ব্যবস্থার ভিতরে তৃণমূলের কিছু লোক সমস্যা তৈরি করছে।
বৃহস্পতিবার টাকা পাওয়ার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর শুক্রবারও বহু এলাকায় রাস্তা ও রেল অবরোধ, সরকারি দফতরে বিক্ষোভ এবং তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত টাকা না পেলে আরও বড় প্রতিবাদ হবে।
পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বয়াল-২ পঞ্চায়েতের গোপালচকে বিজেপির শক্তি কেন্দ্রের প্রধান সুদর্শন পাত্রের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। তিনি বাড়িতে না থাকায় সেখানে থাকা বিজেপি কর্মী শ্যামল দাসকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
উত্তর ২৪ পরগনা ও উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকাতেও বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। কল্যাণী, চাকদহ, হাবড়া, দেগঙ্গা, সোনারপুর, তুফানগঞ্জ, ময়নাগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও বালুরঘাটে সরকারি দফতর ঘেরাও, রাস্তা আটকে বিক্ষোভ এবং তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বালুরঘাটের কাছে এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকেও আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
এ ছাড়াও পটাশপুরে বিডিও অফিসে তালা, নন্দকুমারে রাস্তা অবরোধ এবং তমলুক পুরসভায় বিক্ষোভ হয়। পরিস্থিতি সামলাতে তমলুকে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়। দাঁতন, বেলদা, বড়জোড়া, বিষ্ণুপুর, শালতোড়া ও পুরুলিয়াতেও প্রতিবাদ হয়েছে।


