সম্প্রতি মন্দিরের প্রণামির টাকা চুরি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনায় চম্পত রাইয়ের চালককে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধেও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) প্রথম দফার তদন্তে চম্পত রাইয়ের বিরুদ্ধে কোনও যোগসূত্র পায়নি বলে জানা যায়।
ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের একটি চিঠিকে ঘিরে এই প্রশ্নই সামনে এসেছে। মন্দির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি সরাসরি নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
চম্পত রাইয়ের অভিযোগ, ট্রাস্টের সদস্যরা কোনও পরামর্শ বা প্রস্তাব দিলেও তা বদলে দেওয়া হত, অথবা সেই মতামত গ্রহণ না করে অন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। তবে চিঠিতে প্রণামির টাকা চুরির প্রসঙ্গ তোলেননি তিনি।
এর পরেই চম্পত রাই ৯ পাতার একটি চিঠি প্রকাশ করেন। চিঠিটি তিনি নৃপেন্দ্র মিশ্রকে পাঠিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, মন্দির তৈরির পরিকল্পনা থেকে শুরু করে পরিকাঠামো সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—সব ক্ষেত্রেই মূল নিয়ন্ত্রণ ছিল নৃপেন্দ্র মিশ্রের হাতে।
নৃপেন্দ্র মিশ্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। অন্যদিকে, ট্রাস্টের কয়েকজন সদস্য হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত। ফলে রামমন্দিরের কাজ ঘিরে ট্রাস্টের ভিতরে কোনও রাজনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।
অন্যদিকে, নৃপেন্দ্র মিশ্র শুক্রবার দাবি করেছেন, এমন কোনও চিঠি তিনি পাননি। বিষয়টি সত্যি কি না, তাও তাঁর জানা নেই। সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবরকেও তিনি অপপ্রচার বলে মন্তব্য করেছেন।


