আসল পনিরের বদলে সস্তার উদ্ভিজ্জ তেল, পাম অয়েল বা কেমিক্যাল মিশিয়ে নকল পনির বানিয়ে বাজারে বিক্রি করছিল বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। যা শুধু গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণাই নয়, স্বাস্থ্যের পক্ষেও মারাত্মক ক্ষতিকর। জানা গিয়েছে, গত মে মাস থেকে শুরু হওয়া টানা অভিযানে পুণে সহ একাধিক এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভেজাল উপাদান ও হাজার হাজার কেজি ভেজাল পনির বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই অনেক অস্বাস্থ্যকর রেস্তোরাঁ ও হোটেলের লাইসেন্স বাতিল করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে— এই সরকারি আদেশ অমান্য করলে ২০০৬ সালের খাদ্য সুরক্ষা আইন অনুযায়ী কমপক্ষে ৬ মাসের জেল এবং ১ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে। আর যদি কোনো ভেজাল পনির খেয়ে কারও মৃত্যু হয়, তবে দোষীদের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করা হবে।
ভেজাল দুগ্ধজাত সামগ্রীর রমরমা রুখতে অভূতপূর্ব কড়া পদক্ষেপ করল মহারাষ্ট্র সরকার। এবার থেকে রাজ্যটিতে তথাকথিত ‘অ্যানালগ’ বা নন-ডেয়ারি পনিরের উৎপাদন, মজুত, পরিবহন এবং খুচরো বা পাইকারি কেনাবেচা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা কমিশনার তুকারাম মুন্ধে এই কড়া নির্দেশ জারি করেছেন। ছত্তীসগঢ়ের পর মহারাষ্ট্রই দেশের দ্বিতীয় রাজ্য, যেখানে এই কঠোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলো।
ভেজাল পনির বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ! নন-ডেয়ারি পনির উৎপাদন ও বিক্রিতে কারাদণ্ড ও জরিমানা ঘোষণা
Popular Categories

