Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

হিজাব ইসলামের অপরিহার্য অংশ নয়, বিবৃতিটি অপ্রাসঙ্গিক: মানবাধিকার সংগঠন NCHRO

NBTV ONLINE DESK

NBTV ONLINE DESK

হিজাবি পড়ুয়া।
হিজাবি পড়ুয়া।

এনবিটিভি ডেস্কঃ  চলতি সপ্তাহে কর্ণাটক হাইকোর্ট শিক্ষালয়ে হিজাব পরে যাওয়া যাবেনা এমনি রায় দিয়েছে। হিজাব ইসলামের আবশ্যিক অংশ নয় বলে মন্তব্য করেন বিচারক। এনিয়ে কর্ণাটক তথা সারা ভারতে সাড়া ফেলে দিয়েছে। এদিকে   এই রায়কে উদ্বেগ জনক বলে মন্তব্য করেছে।  

কর্ণাটকের হিজাবের রায়টি হিজাবের ব্যাপক সমালোচনা করে বলেছেন যে, হিজাবকে ইসলামের অপরিহার্য অংশ নয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট এখনও তাদের শুনানি করেনি। আগামী দিন ভালো রায় দেবে বলে মনে করছেন মানবাধিকার সংগঠন এনসিএইচআরও।  

এদিকে কর্ণাটক রাজ্যে অনেকে পড়ুয়া ক্লাসকে বন্ধ করে দিয়েছে।  ইতিমধ্যেই এই রায়ের কারণে অধ্যাপক এবং শিক্ষকদের পদত্যাগ করার ঘটনাও ঘটেছে। কারণ তাদের হিজাব পরিধান করে শিক্ষাগত জায়গায় প্রবেশের অনুমতি নেই। এমন ভাবে চলতে থাকলে সমাজে অনেকটাই ক্ষতিড় মুখে পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।   

কর্ণাটক হাইকোর্ট যুক্তি দিয়েছে যে স্কুল ইউনিফর্ম কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত পছন্দ লঙ্ঘন করে না। কর্ণাটক হাইকোর্ট জানায় যে, হিজাব পরা ইসলামের একটি অপরিহার্য অঙ্গ নয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইউনিফর্মের বিষয়ে রাজ্য সরকারের আদেশ বহাল রাখার কথা।

কর্ণাটক হাইকোর্টের রায়কে এই কারণে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে যে অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীক, যেমন শিখদের পাগড়ি বা হিন্দুদের   সিন্দুর বা তিলক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ নয়। হাইকোর্টের রায়ের ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা নারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হবে।  উদারতার পরিবর্তে মুসলিম সমাজের উপর সুকৌশলে ধর্মীয় ও সামাজিক শিকার করান হচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠন NCHRO  হাইকোর্টের রায়কে সমালোচনা করে জানায় যে, “ কীভাবে অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীকগুলি অনুভূতি লঙ্ঘন করে না। কেন শুধুমাত্র হিজাবকে আলাদা করা হচ্ছে। আদালত আরও যুক্তি দিয়েছে যে, হিজাব ইসলামের জন্য অপরিহার্য নয়, এই বিবৃতিটি অপ্রাসঙ্গিক, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ধর্মের জন্য অপরিহার্য কি না তা কোর্ট নির্ধারণ করতে পারে না। কাউকে ইচ্ছামত পরতে বাধা দেওয়া অত্যন্ত আপত্তিজনক।”

সুশীল সমাজ এবং প্রগতিশীল সংগঠনকে এগিয়ে আসার এবং এই রায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য এনসিএইচআরও আহ্বান জানায়। এই রায় অগণতান্ত্রিক এবং জনগণের অধিকার খর্ব করে। একটি মানবাধিকার সংস্থা হিসাবে আমরা এই রায় নিয়ে উদ্বিগ্ন। কারণ, এটি একটি টুকরো কাপড় পরিধান করে  শিক্ষালয়ে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। এই ধরনের রায় মেনে নেওয়া উচিত নয়, এবং আমরা আশা করি অন্যান্য প্রগতিশীল সংগঠনগুলিও এর বিরুদ্ধে কথা বলবে এবং চ্যালেঞ্জ করবে।

আপনার মতামত প্রদান করুন!

সর্বাধিক পঠিত খবর

সর্বশেষ খবর

সম্পর্কিত খবর