Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

নিজের ইচ্ছায় চুলও বাঁধতে পারেনা কিম পত্নী

NBTV ONLINE DESK

NBTV ONLINE DESK

who-is-ri-sol-ju-kim-jong-un

 

খাওয়া-হাঁটা-চলাফেরা-কোনো কিছুতেই স্বাধীনতা নেই উত্তর কোরিয়ার ফার্স্ট লেডি রি সল-জু’র। কার সঙ্গে কথা বলবেন, কী কথা বলবেন, কী পোশাক পরবেন-সব কিছুই কর্তার ইচ্ছায়। এমনকি নিজের চুল কীভাবে বাঁধবেন, কোন রঙের লিপিস্টিক পরবেন-আজ সেটিও নির্ভর করে স্বামী উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উনের মেজাজ-মর্জির ওপর। ইচ্ছে হলেও প্রকাশ্যে আসতে পারেন না। নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করারও অনুমতি নেই। বিয়ের পর থেকে পদে পদে বাধাগ্রস্ত জীবনের অন্তত ১০টি বড় ‘নিষেধাজ্ঞা’ নিয়ে বৃহস্পতিবার নতুন করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে ইন্ডিয়া টাইমস।

২০১২ সাল থেকেই কিম জং উনের পাশে এক মহিলাকে দেখা যেতে শুরু করেছিল। পরে জানা যায় যে, তিনি রি সল-জু। কিম জং উনের স্ত্রী। উত্তর কোরিয়ার ফার্স্ট লেডি। তিন সন্তানের মা রি সল-জু। বিয়ের আগে ছিলেন সংগীতশিল্পী। কিন্তু কিম জংকে বিয়ের পর থেকেই পালটে যায় সব। কড়া শাসনের ঘেরাটোপে দিন কাটাতে হয় তাকে। ২০০৯ সালে একপ্রকার জোর করেই কিম জং উনের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল তার! বিয়ের পর স্বামীর পদবি গ্রহণ করার রীতি রয়েছে সে দেশে। কিন্তু রি’র জীবনে ব্যাতিক্রম। নিজের নামও বদলে ফেলতে হয়েছে তাকে। শুধু তাই নয়, তার সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয় না। রি সল-জু কোনো সাধারণ পরিবারের মেয়ে নন। শিক্ষিত এবং ধনী পরিবারে জন্ম। বাবা কলেজের শিক্ষক। মা একটি হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের প্রধান। কাকা সেনা উপদেষ্টা ছিলেন। তার মাধ্যমেই উত্তর কোরিয়ার রাজ পরিবারের সঙ্গে পরিচয় তার। রি-কে কখনো প্রকাশ্যে একা দেখা যায় না। স্বামী কিমের অনুমতি মিললে তবেই তিনি বাড়ি থেকে বের হতে পারেন। তা-ও স্বামীর সঙ্গেই। এমনকি তার সন্তানদেরও প্রকাশ্যে আসার অনুমতি নেই। অন্যান্য দেশের ফার্স্ট লেডিরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যান। সমাজ সেবামূলক কাজে যুক্ত থাকেন। রি’র সে সুযোগ নেই। কোথাও বেড়াতে যাওয়া দূরের কথা, সবুজসংকেত না মিললে নিজের ছবিও তুলতে পারেন না তিনি। বিয়ের আগে দেশ-বিদেশে গিয়েছেন রি। চীনে তার পড়াশোনা এবং প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায়ও গিয়েছেন। কিন্তু বিয়ের পর সেসব পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের বাইরে বেরোনোর অনুমতি নেই। বিয়ের পরই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যান রি। সেই সময়টা ছিল আরও ভয়ানক।

সূত্র : যুগান্তর