এক বছরেই মহারাষ্ট্রে ৬৬৬৯ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। সরকারি তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে ৪১৫০ জন কৃষক, ২৫১৯ জন ক্ষেতমজুর এবং ৭৭ জন মহিলা কৃষক রয়েছেন। শুধু খরাপ্রবণ মারাঠাওয়াড়া এলাকাতেই ২১৭ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। ভূমিহীন কৃষকদের সংখ্যার কোনো হিসাব সরকারের কাছে নেই।
অনেক সরকারি প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও কৃষকদের দুর্দশা কমছে না। আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন।
এদিকে ফসলবিমা সংস্থাগুলোর লাভের অঙ্ক চোখে পড়ার মতো। ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিমা কোম্পানিগুলো প্রিমিয়াম হিসেবে পেয়েছে ৫৫,৪২৫ কোটি টাকা। ক্ষতিপূরণ বাবদ দিয়েছে ৩৯,৯১৮ কোটি টাকা। ফলে তাদের লাভ হয়েছে ৬,৯৪৪ কোটি টাকা।
বিধানসভায় এনসিপি (এসপি) বিধায়ক রোহিত পাওয়ার বলেন, আত্মহত্যাকারী কৃষকের পরিবারকে সরকার ১ লাখ টাকা সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। কিন্তু বেশিরভাগ পরিবার এই টাকা পায় না। অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রানি ছাড়া কিছু মেলে না। ফাইলগুলো লাল ফিতের আটকে থাকে। সরকার জানিয়েছে, কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে চেষ্টা চলছে এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সাহায্য করা হবে।


