মুখ্যমন্ত্রী আসার আগে মোহবনিতে পৌঁছান শিউলি। তাঁকে দেখেই দর্শকদের মধ্যে কয়েক জন বিক্ষোভ শুরু করেন। এক মহিলা অভিযোগ করেন, বিধায়ক থাকাকালীন তাঁরা নানা সমস্যার মুখে পড়েছিলেন তাঁর দাবি, তাঁর স্বামীকে মারধর করে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের মোহবনিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিধায়ক শিউলি সাহা। স্থানীয়দের একাংশ তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিশিষ্ট অতিথিদের জন্য সেখানে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। তবে সেই মঞ্চে ওঠেননি শিউলি।
বিক্ষোভকারীদের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন বিধায়ক থাকার পরেও কেশপুরের উন্নয়নে শিউলি উল্লেখযোগ্য কাজ করেননি। ক্ষুদিরামের জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত মোহবনির সংরক্ষণ ও উন্নয়নেও তাঁর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দাবি তাঁদের।
পরে শিউলি জানান, তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতেই সেখানে গিয়েছিলেন। তবে মুখ্যমন্ত্রীর আসার সময়সূচিতে পরিবর্তন হওয়ায় বাঁকুড়ায় একটি বৈঠকে যোগ দিতে তিনি মোহবনি ছেড়ে চলে যান। তাঁর দাবি, তিনি সেখানে থাকা অবস্থায় কোনও বিক্ষোভ হয়নি।
শিউলির আরও বলেন পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁর চলে যাওয়ার পরই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের বিজেপির সঙ্গে যুক্ত বলেও দাবি করেন তিনি।


