ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা মাওলানা সানাউল্লাহ সিদ্দিকী এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন। তার দাবি, এই কর্মসূচির কারণে রাজ্যের বহু সাধারণ মানুষ অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রশাসনিক পদক্ষেপের নামে মানুষের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করা ঠিক নয়। তবে তিনি সকলকে গুজবে প্রভাবিত না হয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ঠিক রাখার এবং ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখার কথাও বলেন।
বুধবার শাসনের খড়িবাড়ির সাহাজিপাড়া গ্রামে একটি ধর্মীয় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে কোরআন ও হাদিসের আলোচনার পাশাপাশি দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন পীরজাদা। তিনি অভিযোগ করেন, এসআইআর নিয়ে যেভাবে সাধারণ মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে, তাতে বহু পরিবার মানসিক চাপে ভুগছে। তার কথায়, অন্যায়ের পরিণতি একদিন না একদিন সামনে আসবেই।
এদিন তিনি আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিম্মৎ বিশ্ব শর্মার কিছু মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন। তার বক্তব্য, দেশের সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তির কর্তব্য। কোনো সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে মন্তব্য করলে সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হয় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। পীরজাদা আরও জানান, রাজ্যের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে। তিনি সবাইকে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান। সভার শেষে দেশের শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় থাকুক—এই প্রার্থনা করা হয়। বিভিন্ন সমাজকর্মী ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা মাওলানা সানাউল্লাহ সিদ্দিকী এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন। তার দাবি, এই কর্মসূচির কারণে রাজ্যের বহু সাধারণ মানুষ অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রশাসনিক পদক্ষেপের নামে মানুষের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করা ঠিক নয়। তবে তিনি সকলকে গুজবে প্রভাবিত না হয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ঠিক রাখার এবং ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখার কথাও বলেন।
বুধবার শাসনের খড়িবাড়ির সাহাজিপাড়া গ্রামে একটি ধর্মীয় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে কোরআন ও হাদিসের আলোচনার পাশাপাশি দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন পীরজাদা। তিনি অভিযোগ করেন, এসআইআর নিয়ে যেভাবে সাধারণ মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে, তাতে বহু পরিবার মানসিক চাপে ভুগছে। তার কথায়, অন্যায়ের পরিণতি একদিন না একদিন সামনে আসবেই।
এদিন তিনি আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিম্মৎ বিশ্ব শর্মার কিছু মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন। তার বক্তব্য, দেশের সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তির কর্তব্য। কোনো সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে মন্তব্য করলে সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হয় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। পীরজাদা আরও জানান, রাজ্যের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে। তিনি সবাইকে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান। সভার শেষে দেশের শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় থাকুক—এই প্রার্থনা করা হয়। বিভিন্ন সমাজকর্মী ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


