রুদ্রনগরের পাঠান পাড়ার বাসিন্দা কাবুল সেখ মঙ্গলবার সকাল দশটা নাগাদ বাড়ি ফেরেন। তাকে দেখে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন স্ত্রী শুকুরুন বেগম ও মেয়ে মমতাজ বেগম। বিহার থেকে ফিরেই কাবুল সেখ বলেন, “একটা দুঃস্বপ্নের মতো সময় গেল। স্ত্রী আর মেয়ে বাড়িতে একা ছিল, খুব চিন্তা হচ্ছিল। পুলিশ মারেনি ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশি বলেছে।”
তিনি জানান, বিহারে এক জায়গায় তাদের আটকানো হয় এবং ১০০ টাকা দিয়ে তাদের ছাড়া পেতে হয়। ঘটনার দিন তারা উত্তরপ্রদেশ থেকে ড্রামের চাদর নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং সেই সময় রাতে পুলিশ তাদের আটকায়। সব বৈধ কাগজপত্র দেখালেও পুলিশ তাদের বাংলাদেশি বলে সন্দেহ করে। কাবুল জানান, পুলিশ জানতো যে তারা মুসলমান তাই তাদের সাথে এই আচরণ করা হয়।


