বীরভূমের নলহাটির ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পরিযায়ী শ্রমিক নইমুদ্দিন সেখ মুম্বইয়ে কাজ করতেন অনেক বছর ধরে। রবিবার বিকেলে তিনি বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং জানান, পাওনা টাকা পেলে বাড়ি ফিরে আসবেন। কিন্তু সেই দিন বিকেলের পর থেকে নইমুদ্দিন মুম্বইয়ের ভাড়া বাড়িতে আর ফেরেননি। নইমুদ্দিনের বোন সাজিদা খাতুন মিসিং ডায়েরি করে থানায় অভিযোগ করেন। পরের দিন মঙ্গলবার মুম্বই পুলিশ এক জঙ্গলের ধারে নইমুদ্দিনের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, তার চোখ থেকে জল ঝরছিল, হয়তো কিছু বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেননি। পরে তিনি কোমায় চলে যান এবং বুধবার মৃত্যু হয়।
পরিবারের দাবি, হাসপাতাল থেকে তাদের কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার নইমুদ্দিনের দেহ মুম্বই থেকে তাদের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার সালারপুকুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, নইমুদ্দিন মুম্বইয়ের একটি নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে আট লাখ টাকা পাওনা ছিল। টাকা দাবির কারণে তাকে হুমকি দেওয়া হয়। তার বাবা গোলাম মহিউদ্দিন বলেন, “টাকার জন্য আমার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। ওর মোবাইল এবং নথি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ওই সংস্থার মালিকের শাস্তি চাই।” নইমুদ্দিন দীর্ঘ বছর মুম্বইয়ের ভাণ্ডু এলাকায় ঠিকাদারের কাজ করতেন।


