ব্রিটেন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া সম্প্রতি ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। অনেকেই এই ঘোষণাকে ‘শান্তির আশার প্রতীক’ হিসেবে দেখছেন। তবে বিশ্লেষক ও মানবাধিকারকর্মীদের মতে, শুধু স্বীকৃতি দিলেই সমাধান হবে না, দরকার বাস্তব পদক্ষেপের।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, এই স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, যদি সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে এটি কেবল ‘খালি প্রতীকী ঘোষণা’ হয়ে থাকবে। সংস্থাটির একজন মুখপাত্র বলেন, “ইসরাইলের গণহত্যা, অবৈধ দখল ও বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে একসাথে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে এই স্বীকৃতির প্রকৃত মূল্য নেই।”
অ্যামনেস্টির মতে, যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে অবরোধ তুলে নিতে হবে, গাজা থেকে অবৈধ বসতি সরাতে হবে এবং বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ফিরে যাওয়ার অধিকার দিতে হবে। সেই সঙ্গে, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।
সংস্থাটি আরও বলেছে, শুধু বক্তব্য দিয়ে চলমান সহিংসতা বন্ধ করা যাবে না। বরং, ব্রিটেনসহ অন্যান্য দেশগুলিকে ইসরাইলে অস্ত্র রফতানি বন্ধ করতে হবে, যুদ্ধাপরাধে জড়িতদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে এবং অবৈধ বসতির সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য থামাতে হবে। অন্যদিকে, ফ্রান্স এখনও স্বীকৃতি না দিলেও প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি পতাকা তুলে শান্তির বার্তা দিয়েছে।


