গুজরাতের বোটাড-এ এক মুসলিম কিশোরটির বিরুদ্ধে পুলিশি হত্যার মর্মান্তিক অভিযোগ উঠেছে। এই হত্যার ন্যায়বিচারের আবেদন নিয়ে কিশোরটির পরিবার এখন গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগামী সোমবার এই আবেদনের শুনানি হবে।
গত মাসে বোটাদ থানার পুলিশ, চুরির অভিযোগে ১৭ বছর বয়সী এই কিশোরকে আটক করে। পরিবারের বক্তব্য, তাকে প্রায় ১০ দিন অবৈধভাবে আটক রাখা হয়। এই সময় তাকে মারধর, বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়। এমনকি তাকে খাবার ও পানি না দিয়ে যৌন নির্যাতনের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে আহমেদাবাদের একটি হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়। যত সময় যায় কিশোরটির অবস্থার অবনতি হতে থাকে।
পরিবার সূত্রে খবর, মর্মান্তিক পুলিশি নির্যাতনের ফলে কিশোরটির কিডনি বিকল হয়ে পড়ে, খিঁচুনি হয়, অস্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারায় এবং তার গভীর মানসিক আঘাতেও ভুগছেন। কিশোরটির বোন বলেছেন, “আমার ভাইকে কোনো অপরাধ না করেও ধরে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা ন্যায়বিচার চাই।” পরিবারের পক্ষ থেকে আইনজীবীরা আদালতের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ তদন্ত দল বা সিবিআই-এর মাধ্যমে তদন্ত, ক্ষতিপূরণ এবং দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়াও কিশোরটির জন্য কাউন্সেলিং ও সুরক্ষারও দাবি রাখা হয়েছে আবেদনে।


