মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের গাররা গ্রামে পাকা রাস্তার দাবি স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরেও পূরণ হয়নি। গ্রামটির দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা এখনও কাঁচা অবস্থায় পড়ে আছে। বর্ষাকাল হলে রাস্তাটি কাদা ও গর্তে ভরে যায়, আর বছরের অন্য সময়ও একই দুরবস্থা দেখা যায়। গ্রামের প্রবেশ পথ যেন চষা খেতের মতো, যেখানে হাঁটা তো দূরের কথা, সাইকেল বা বাইক নিয়েও চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী হওয়ায় এলাকা উন্নয়নের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে আছে। রাস্তায় বড় বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় স্কুলের ছাত্রছাত্রী, কর্মজীবী মানুষসহ প্রতিদিন এই রাস্তা ধরে চলাচলকারীরা অসুবিধায় পড়ছেন। জরুরি পরিস্থিতিতে সমস্যা আরও বাড়ে। অ্যাম্বুলেন্স বা দমকল গাড়ি সরাসরি গ্রামে ঢুকতে পারে না। ঘুরপথে যেতে হয়, এতে সময় নষ্ট হয় এবং রোগীর জীবনের ঝুঁকি বাড়ে বলে জানা যায়।
গ্রামের এক বাসিন্দা মহম্মদ রাকিব বলেন, “নির্বাচনের আগে সবাই প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু ভোট শেষ হলেই আর কেউ আসে না।” তার দাবি, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় সব দলই রাস্তা করার আশ্বাস দিলেও দেড় বছরের বেশি সময় কেটে গেলেও এখনো কাজ শুরু হয়নি। ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে ফোন করেও কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানান স্থানীয়রা। ফলে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তারা সতর্ক করে দিয়েছেন, এবার দাবি না মানলে তারা আন্দোলনে নামবেন। জেলা পরিষদের কৃষি সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম জানান, পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে রাস্তা সংস্কারের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তিনি আশ্বাস দেন, দ্রুত বরাদ্দের জন্য বিষয়টি ফের জেলায় তোলা হবে।


