জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ির খোলাই গ্রামে রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় মালবাহী রেলের ধাক্কায় এক বুনো হাতির মর্মান্তিক মৃত্যু, এবং গুরুতরভাবে নিহত হয়েছে আরও একটি হাতে। মৃত হাতি ও আহত হাতিকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয় বনদপ্তর কর্মীরা। এলাকাবাসীদের দাবি, বোন থেকে হঠাৎ করে জনবসতিতে এসে উপস্থিত হয়েছিল হাতি দুটি। জনবসতিতে হাতির উপস্থিতিতে ইতিমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।
দীর্ঘদিন ধরেই ডুয়ার্সের জঙ্গল পেরিয়ে যাওয়া রেললাইন হাতিদের স্বাভাবিক চলাচলের পথে এক বড় বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই মংপং, মালবাজার, বাগরাকোট ও আলিপুরদুয়ার এলাকাতেও একইভাবে কয়েকটি হাতি মারা পড়ে। বছরের শুরুতে ঝাড়গ্রামে একসঙ্গে তিনটি হাতির মৃত্যুর ঘটনাও গভীর উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পরিবেশবিদরা বহুদিন ধরে সতর্ক করলেও বড় কোনও পরিবর্তন দেখা যায়নি। রেললাইন এমন জায়গায় তৈরি, যেখানে হাতিরা অভ্যাসবশত এক জঙ্গল থেকে অন্য জঙ্গলে খাদ্যের খোঁজে যাতায়াত করে। রাতে কুয়াশা বা কম আলোতে তারা ট্র্যাক বুঝতে পারে না, আর ঠিক সেই সময় দ্রুতগামী ট্রেন এসে বিপদ ডেকে আনে। বনাঞ্চলে ট্রেনের গতি কমানোর নির্দেশ থাকলেও বাস্তবে তা প্রায়ই মানা হয় না। পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করতে ও আন্দোলনের বার্তা পৌঁছাতে ঘটনাস্থলে যান এসএফআই রাজ্য সভাপতি প্রণয় কার্য্য এবং প্রাক্তন সর্বভারতীয় সম্পাদক ময়ুখ বিশ্বাস।


