উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপুরে খোলা মাঠে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে এক শ্রমিককে মারধর ও অপমান করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত হিসেবে এক মন্দির পরিচালনাকারীর নাম সামনে এসেছে এবং পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহিদ নামে এক দিনমজুর কাজের ফাঁকে কাছাকাছি একটি খোলা জায়গায় নামাজ পড়ছিলেন। সেই সময় কয়েকজন এসে তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তাঁকে ধাক্কাধাক্কি করা হয়, মারধর করা হয় এবং জোর করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। এমনকি নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিতেও চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি স্থানীয় এক মন্দিরের দায়িত্বে রয়েছেন, যদিও এই দাবি নিয়ে প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। শাহিদের পরিবার জানিয়েছে, তিনি ভিনরাজ্য থেকে কাজের খোঁজে এসেছেন—দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ। পরিবারের এক সদস্যের কথায়, “ও শুধু প্রার্থনা করছিল। এতে কারও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।” পুলিশ সূত্রে খবর, লিখিত অভিযোগ পেয়েছে থানায় এবং ঘটনার ভিডিও বা অন্য প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আচরণ ব্যক্তিগত বিষয়—তা নিয়ে হেনস্তা কাম্য নয়; অন্যদিকে প্রশাসনের ভূমিকা কী হয়, সেদিকেই এখন নজর সবার।


