বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের নেতৃত্বে গঠিত সংসদীয় কমিটি স্পষ্ট জানিয়েছে, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও সরিয়ে দেওয়া মানে ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের কণ্ঠরোধের চেষ্টা, যা গণতন্ত্রের ওপর এক ধরনের আঘাত। যদিও মেটার পক্ষ থেকে টেকনিক্যাল ভুল বা সিস্টেমে গণ্ডগোলের অজুহাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, তবে সেই ব্যাখ্যায় একেবারেই সন্তুষ্ট নয় সংসদীয় কমিটি। এমনকি তেলেঙ্গানা পুলিশের তদন্তে মেটা কেন সহযোগিতা করল না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
ভারতে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ‘সেফ হারবার’ আইনের অধীনে সুরক্ষা পায়। এই নিয়মে কোনো ব্যবহারকারীর পোস্টের জন্য প্ল্যাটফর্মকে আইনিভাবে দায়ী করা যায় না। কিন্তু সরকার এই বিশেষ সুবিধা প্রত্যাহার করে নিলে ভারতে বিশাল আইনি সংকটে পড়বে মেটা। ইতিমধ্যে পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে মেটার গ্লোবাল পাবলিক পলিসি প্রধান জোয়েল কাপলান এবং ইনস্টাগ্রামের শীর্ষ প্রযুক্তিবিদদের জরুরি ভিত্তিতে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি বার্তা ভিডিও ফেসবুক থেকে সাময়িকভাবে মুছে যাওয়া নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি। আগামী তিন দিনের মধ্যে মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ নিজে ক্ষমা না চাইলে, ভারতে মেটার সমস্ত আইনি ‘রক্ষাকবচ’ তুলে নেওয়া এবং ফৌজদারি মামলা রুজু করার কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।


