রাজ্যের সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত (গ্রান্ট-ইন-এড) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মেটাতে জোড়কদমে তোড়জোড় শুরু করল অর্থ দপ্তর। সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ কার্যকর করতেই মূলত নবান্নের এই প্রশাসনিক সক্রিয়তা। এই তালিকায় রয়েছেন সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পুরসভা, পঞ্চায়েত ও বিভিন্ন স্বশাসিত পর্ষদের হাজার হাজার কর্মীরা।
অর্থ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নিজস্ব বেতন পোর্টালে (যেমন শিক্ষকদের জন্য IOSMS) বকেয়া বিল জমার জন্য আলাদা ব্যবস্থা প্রস্তুত করার জন্য নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে অন্যান্য আর্থিক দাবি আপাতত স্থগিত রেখে কেবল বকেয়া বিলের ওপর জোর দেওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন বিভিন্ন বিভাগের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীরা। প্রায় এক দশক টানা আইনি লড়াইয়ের পর মিলল এই স্বস্তি।
বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডল সরকারের এই পদক্ষপে সন্তোষ প্রকাশ করে আশাপ্রকাশ করেছেন যে, আসন্ন দুর্গাপুজোর আবহেই কর্মীরা এই বকেয়ার প্রথম কিস্তির অর্থ পেয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার ইতিপূর্বেই সাধারণ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আগামী ১ অক্টোবর, ২০২৬ থেকে ৩৮ শতাংশ হারে বর্ধিত মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। এবার অনুদানপ্রাপ্ত কর্মীরাও এই সুবিধার আওতায় আসায় রাজ্যজুড়ে খুশি ও স্বস্তির আবহাওয়া।


