বিজেপি ২০২৪ সাল থেকেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ক্ষমতায় এলে দিল্লির মহিলাদের মাসে ২,৫০০ টাকা দেওয়া হবে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ২৭ বছর পর দিল্লিতে সরকার গড়ে বিজেপি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর জানানো হয়, সবাই এই সুবিধা পাবেন না। মূলত আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মহিলাদেরই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।
ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সেই টাকার একটা বড় অংশ যদি ব্যবহারই করা না যায়, তাহলে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। দিল্লির বিজেপি সরকারের ‘লক্ষ্মী যোজনা’ ঘিরে এখন সেই প্রশ্নই উঠছে।
দু’বছর পর সেপ্টেম্বর থেকে প্রকল্প চালু হওয়ার কথা। তবে নিয়ম সামনে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। মাসের ২,৫০০ টাকার মধ্যে ১,৫০০ টাকা রেকারিং বা ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা হবে। সেই টাকা ২০২৯ সালের আগে তোলা যাবে না। বাকি ১,০০০ টাকা যাবে সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল কারেন্সি ওয়ালেটে। চাইলে পুরো ২,৫০০ টাকাই জমা রাখতে পারবেন।
সরকারের হিসাবে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি ১৭ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। আপ নেতা গোপাল রাইয়ের অভিযোগ, এত শর্তে খুব অল্প সংখ্যক মহিলাই সুবিধা পাবেন।
ওয়ালেটের টাকাও ইচ্ছেমতো খরচ করা যাবে না। মদ, লটারি, বিড়ি-সিগারেট, তামাক বা বেটিংয়ের মতো খাতে টাকা ব্যবহার নিষিদ্ধ। তিনের বেশি সন্তান থাকলেও মিলবে না সুবিধা। ভুল তথ্য দিলে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি টাকা ফেরত নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
আরও একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করতে স্মার্টফোন লাগবে। তাহলে যাঁরা সত্যিই দরিদ্র, তাঁদের সবার হাতে স্মার্টফোন নাই থাকতে পারে, তাহলে তারা এই সুযোগের আওতায় আসবে কি করে।


