নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বুধবার সকালে আচমকা হড়পা বানে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রবল জলের স্রোত ভাসিয়ে নিয়ে যায় বাড়িঘর, সেতু ও রাস্তা। এখনও পর্যন্ত ৩০০ র বেশি জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজ অন্তত ৭৫০ জন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জন ভারতীয় বলে জানিয়েছে নেপাল সরকার।
বিপর্যয়ের জেরে রাসুয়াগাঢ়ি এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসতি থাকা এই অঞ্চলের বিস্তীর্ণ অংশ কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। উদ্ধারকাজে নেমেছে নেপালের সেনা।
নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৮টা ৩৭ মিনিট নাগাদ তিব্বত সীমান্তে কম্পন অনুভূত হয়। এরপর তুষারধসের জেরে প্রবল জল ও কাদার স্রোত নেমে আসে। প্রথমে লেহন্ডে খোলা নদী দিয়ে সেই স্রোত এগিয়ে পরে ভোটেকোশী নদীতে মিশে যায়। ক্রমে জলের পরিমাণ ও গতি বাড়তে থাকে।
প্রাথমিক অনুমান, প্রায় ৪.৪ মাত্রার ভূকম্পনের কারণে একটি হিমবাহ ভেঙে এই বিপর্যয় শুরু হয়েছিল। যদিও ঘটনার পূর্ণ কারণ এখনও নিশ্চিত নয়।
এদিকে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় থাকা বহু ভারতীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। কলকাতার ৩২ জন এবং তামিলনাড়ুর ৩৭ জন পর্যটকেরও খোঁজ মিলছে না বলে জানা গিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় তাঁদের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।


