রাজ্যে সরকার গঠনের তিন মাসের মধ্যেই তোলাবাজির অভিযোগে অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি। দলের একাংশের বিরুদ্ধে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। এমনকী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও স্বীকার করেছেন যে, দলের কিছু নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এসেছে। দলীয় সূত্রের দাবি, ইতিমধ্যেই কয়েকজন মণ্ডল সভাপতি-সহ প্রায় ১৫০ জন নেতা-কর্মীকে শো-কজ নোটিস পাঠানো হয়েছে।
এই বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে চাননি শমীক ভট্টাচার্য। তবে তিনি জানান, দলের কাছে দুর্নীতি ও তোলাবাজি নিয়ে অভিযোগ এসেছে। সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান।
বুধবার রাজ্য বিজেপির শীর্ষ সূত্র জানায়, বেশিরভাগ শো-কজ চিঠিতে সরাসরি ‘তোলাবাজি’ শব্দটি লেখা হয়নি। সেখানে দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কয়েকটি চিঠিতে অন্যান্য অভিযোগের পাশাপাশি তোলাবাজির কথাও বলা হয়েছে। অন্যদিকে, শো-কজের জবাবে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়ায় প্রায় ৬০ জনকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সেই চিঠি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় অনেকেই সেই পোস্ট মুছে ফেলেছেন।
তবে দলের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। গোবরডাঙা পুর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে গত ১৮ জুলাই একাধিক অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই তাঁর বরখাস্তের নির্দেশ তুলে নেওয়া হয়। এত দ্রুত সিদ্ধান্ত বদল হওয়ায় দলের অন্দরেই আলোচনা শুরু হয়েছে।


