বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সম্প্রতি দলের ভিতরে তোলাবাজির অভিযোগের কথা প্রকাশ্যে বলেছিলেন। সেই বিতর্কের মধ্যেই এবার উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় বিজেপির এক বুথ সভাপতির বিরুদ্ধে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও অভিযুক্ত নেতা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ঘটনাটি দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চ্যাংদানা এলাকার। স্থানীয় বাসিন্দা গৌতম সরকার অভিযোগ করেছেন, কয়েক বছর আগে কেনা চার শতক জমিতে তিনি বাড়ি তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গাছ কাটার কাজ চলার সময় বিজেপির বুথ সভাপতি সুনীল দাস ও তাঁর কয়েকজন সমর্থক সেখানে এসে কাজ বন্ধ করে দেন।
গৌতমের দাবি, তাঁকে বলা হয়, এক লক্ষ টাকা দিলে তবেই কাজ করতে পারবেন। তা না হলে দুই লক্ষ টাকায় জমি বিক্রি করে দিতে হবে। এই ঘটনায় তিনি দেগঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বের কাছেও বিষয়টি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, সুনীল দাসের দাবি, অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। তাঁর কথায়, জমির সীমানা নিয়ে শরিকদের মধ্যে বিবাদ রয়েছে। সেই সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। টাকা চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি।
পাল্টা গৌতম সরকারের বক্তব্য, জমির সীমানা সরকারি নথিতে স্পষ্ট রয়েছে। তোলাবাজির অভিযোগ চাপা দিতেই নতুন নতুন দাবি করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।


