দিল্লির আন্দোলনের প্রভাব এবার দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। চাকরি, নিয়োগ পরীক্ষা এবং শিক্ষা সংক্রান্ত একাধিক দাবিতে যুব সমাজ রাস্তায় নামছে। এই পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য নতুন চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।
রাজস্থানে আগেই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। বিহারেও শিক্ষক নিয়োগ ও সরকারি চাকরির দাবিতে আন্দোলন চলছে। সোমবার দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সংসদ অভিযানে সবচেয়ে বড় জমায়েত দেখা যায়। এরপর মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থী পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দ্রুত আয়োজনের দাবিতে মিছিল করেন। এই আন্দোলনের জন্য তৈরি হয়েছে ‘উত্তরাখণ্ড বেকার সংঘ’।
এদিকে মুম্বইতেও একই ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। সম্ভাব্য বিক্ষোভকে ঘিরে আজাদ ময়দান থেকে শিবাজি পার্ক পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শুধু এই কয়েকটি রাজ্য নয়, আইজল, রাঁচি, বারাণসী ও আমেদাবাদ-সহ দেশের নানা শহরেও ছাত্র-যুবদের প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএইচইউ) ছাত্রদের অবস্থান কর্মসূচি কেন্দ্রের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
সূত্রের খবর, বিভিন্ন রাজ্যে দিল্লির আন্দোলনের ধাঁচে আরও বিক্ষোভের প্রস্তুতির খবর কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির কাছেও পৌঁছেছে। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু এবং কর্মসংস্থানের দাবিতে আন্দোলন জোরদার হচ্ছে। রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও অরাজনৈতিক সংগঠনগুলির অংশগ্রহণ এই আন্দোলনকে আরও বড় করে তুলছে।


