নতুন করে ফের উত্তাল হওয়ার পথে রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রের চাপিয়ে দেওয়া সার (SAR)-এর বিরোধিতায় সোমবার পথে নামার ডাক দিয়েছে একাধিক সংগঠন। নাগরিক অধিকার, ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিসর সঙ্কুচিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই প্রতিবাদ—এমনটাই দাবি আন্দোলনকারীদের।
আয়োজকদের বক্তব্য, সার কোনও বিচ্ছিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নাগরিক পরিচয়, রাজনৈতিক মতপ্রকাশ এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকারকে প্রশ্নের মুখে ফেলা হচ্ছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু, পরিযায়ী শ্রমিক এবং প্রান্তিক মানুষের ক্ষেত্রে এই নীতি বাড়তি ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করছে বলে অভিযোগ।
সংগঠনগুলির দাবি, বিজেপি সরকারের শাসনকালে একের পর এক সিদ্ধান্তে বিরোধী কণ্ঠকে দমন করার প্রবণতা স্পষ্ট। কখনও নাগরিকত্বের প্রশ্ন, কখনও ভোটার তালিকার ‘সংশোধন’, আবার কখনও নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর অজুহাতে সাধারণ মানুষকে চাপে রাখা হচ্ছে। সার-এর বিরুদ্ধেও সেই একই রাজনীতির ছাপ দেখছেন তাঁরা।
সোমবারের কর্মসূচিতে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ছাত্র-যুব সংগঠন এবং নাগরিক মঞ্চ অংশ নেবে বলে জানানো হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এটা কোনও একক দলের লড়াই নয়—এটা গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই।
প্রশ্ন উঠছে, বিজেপি কি প্রশাসনিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে বিরোধী কণ্ঠকে আরও কোণঠাসা করতে চাইছে? নাকি এই প্রতিবাদই প্রমাণ করবে যে রাজপথ এখনও নির্বাক নয়?
সোমবারের কর্মসূচির দিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।


