মুহাম্মদ জিম ফারহাদ নওয়াজ ভোটার তালিকা যাচাই নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কমিশন ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ নাম দিয়ে যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনী কর্মসূচি চালাচ্ছে, তা সংবিধানের ১৪ ও ৩২৪ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এই কর্মসূচির আওতায় পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বহু নাগরিককে বিভিন্ন নথি জমা দিতে বলা হচ্ছে। আবেদনকারীর দাবি, যেভাবে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে এবং কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে, তাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠনও জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার ফলে অনেকেই মানসিক চাপে ভুগছেন। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে চরম সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদন গ্রহণ করেনি। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়ে আদালত হস্তক্ষেপ করবে না। বিচারপতিরা প্রশ্ন তোলেন, সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের অধীনে সরাসরি এই আদালতে আসার যৌক্তিকতা কী। তাঁদের মতে, এ ধরনের আপত্তি জানাতে হলে নির্বাচন কমিশনের কাছেই যেতে হবে। জিম নওয়াজ কমিশনের পাঠানো নোটিশের বৈধতা নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শীর্ষ আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয়।


