“আমি বেঁচে থাকতে একটাও SIR হবে না!” পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উক্তিকে উদ্ধৃত করে তীব্র আক্রমণ করছে বিরোধীরা। বিজেপি ছাড়া অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি, মূলত সিপিএম ও কংগ্রেস দাবি করছে, বাংলার মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
‘মোস্তারি বানু বনাম নির্বাচন কমিশন’! ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা বা SIR কর্মসূচিকে ঘিরে এই মামলা এখন জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। এই মামলায় একদিকে যেমন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে হাজির হয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন, তেমনই আড়ালে থেকে গিয়েছে এক সাধারণ গৃহবধূর অসাধারণ লড়াইয়ের গল্প। ইতিমধ্যে SIR মামলায় কোলকাতা হাইকোর্টের প্রধানবিচারপতি সুপ্রিমকোর্টে জানিয়েছেন আরও ৮০ দিন সময় না দিলে শুনানি শেষ করা সম্ভব নয়।
‘ইলেকশন কমিশন নিজের কাজ করছে না’, ভোটের আগে এমন মন্তব্য শাসক অথবা বিরোধীসহ কমবেশি প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল করে থাকে। সাধারণত আদালত নির্বাচন কমিশনের বিষয় হস্তক্ষেপ করে না। তবে ২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে মোট তিন বার আদালত হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছে। SIR এর শুনানির কাজ সুষ্ঠু স্বাভাবিক এবং নিরপেক্ষ হওয়ার জন্য, প্রিমকোর্ট অন্য রাজ্য থেকে বিচারপতি বা জুডিশিয়াল অফিসার আনতে বললেন। বিরোধীদের দাবি সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের ফলে স্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন তাড়াহুড়ো করে SIR এর কাজ শেষ করতে চাইছিল। মূল লক্ষ ছিল যে ভাবে হোক বড় অংশের মানুষের নাম বাদ দেওয়া।


