আমেরিকার প্রতি তিন জনের মধ্যে মাত্র একজন নাগরিক ইরানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন। মঙ্গলবার প্রকাশিত রয়টার্স-ইপসোসের জনমত সমীক্ষায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য কী, তা ট্রাম্প এখনও পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
তবে সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে তাঁর জনপ্রিয়তার হার ৩৭ শতাংশ, যা জুন মাসের তুলনায় ৩ শতাংশ বেশি।
শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত চলা এই সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিকের দাবি, কেন মার্কিন সেনাবাহিনী এই যুদ্ধে জড়িয়েছে এবং তাদের মূল লক্ষ্য কী—এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য যথেষ্ট স্পষ্ট নয়। এমনকি ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের মধ্যেও প্রতি ১০ জনে প্রায় চার জন একই মত প্রকাশ করেছেন।
১৭ জুন হওয়া যুদ্ধবিরতির সমঝোতা ভেঙে ট্রাম্পের নির্দেশে ৮ জুলাই মধ্যরাত থেকে পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন মার্কিন বাহিনী ‘সেন্টকম’ আবারও ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা শুরু করে। পাশাপাশি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলির উপরও নৌ অবরোধ চালু করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পরও এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে সমর্থন ৪০ শতাংশের কম ছিল। তুলনায়, ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের শুরুতে প্রায় ৭০ শতাংশ এবং ২০০১ সালে আফগানিস্তান অভিযানের সময় প্রায় ৯০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধের পক্ষে ছিলেন।


