গত রবিবার পরিজনরা অসুস্থ মহিলাকে ওই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। এক্স-রে পরীক্ষার পর সিটি স্ক্যান কক্ষে নিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত সিকিউরিটি গার্ড আত্মীয়দের ঘরের বাইরে অপেক্ষা করতে বলে। এর পরই শারীরিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ওই অসহায় বৃদ্ধার ওপর হামলা চালানো হয়। নির্যাতিতা পুলিশকে জানান, প্রায় ৪ মিনিট ধরে তাঁর ওপর নির্যাতন চালানো হলেও অসুস্থতার দরুন তিনি বাধা দিতে পারেননি। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে রোহতকের উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হলেও মঙ্গলবার সকালে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। চিকিৎসকদের মতে, তিনি হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ স্পষ্ট হবে।
হরিয়ানার পানিপথ সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে এক ৫৮ বছর বয়সী মহিলা নারকীয় নির্যাতনের শিকার হলেন। ঘটনার মাত্র দু’দিনের মাথায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন ওই নির্যাতিতা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাকেশ কুমার নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ধৃত ব্যক্তিটি চুক্তিভিত্তিক বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে হাসপাতালের সিটি স্ক্যান ও এমআরআই শাখায় নিরাপত্তারক্ষীর দায়িত্বে বহাল ছিল।
ঘটনাটি পিপিপি মোডে চালিত সিটি স্ক্যান কেন্দ্রে ঘটায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে স্বাস্থ্য দপ্তর কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠিয়েছে। ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত দল গঠিত হয়েছে এবং আউটসোর্সিং সংস্থাটি দুই কর্মীকে কাজ থেকে ছাঁটাই করেছে। অন্যদিকে, রাজ্যটির খানপুর কলানের অপর একটি সরকারি মহিলা মেডিক্যাল কলেজেও একই দিনে দুই চিকিৎসক পড়ুয়া শ্লীলতাহানির শিকার হওয়ায় নিরাপত্তা বাড়িয়ে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।


