তফসিলি জাতি, উপজাতি ও দরিদ্র মেধাবী ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ ন্যাশনাল ওভারসিজ স্কলারশিপের টাকা নেই বলেই এবার ৪০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী এই বৃত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে নির্বাচিত ১০৬ জন ছাত্রের মধ্যে মাত্র ৪০ জনই স্কলারশিপ পেতে সক্ষম হয়েছেন। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক জানিয়েছে, টাকার অভাবের কারণে বাকি ছাত্রদের বৃত্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি।
মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, তহবিল বা বরাদ্দ পেলে বাকি ছাত্রদের ‘প্রভিশনাল অ্যাওয়ার্ড’ চিঠি দেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত অর্থ বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির অনুমোদন আসেনি। এই কমিটির প্রধান হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মন্ত্রকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘আমাদের কাছে কিছু টাকা আছে, কিন্তু তা বিতরণের জন্য উপরের অনুমোদন দরকার।’ এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামে তফসিলি জাতি, উপজাতি, যাযাবর জনজাতি, ভূমিহীন কৃষক ও কারিগর যারা বছরে ৮ লাখ টাকার কম আয় করে, তাদের জন্য আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। ১৯৫৪-৫৫ থেকে এই প্রোগ্রাম চলছে বলে জানা গিয়েছে।
এর আগে মৌলানা আজাদ জাতীয় ফেলোশিপের টাকাও আটকে থাকার খবর এসেছে। প্রায় দেড় হাজার পিএইচডি গবেষক ছাত্র স্কলারশিপ পাচ্ছেন না। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও এই পরিস্থিতিকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, দলিত, আদিবাসী ও সংখ্যালঘু ছাত্ররা এই বৃত্তি থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং বরাদ্দ খুবই কম দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা আর্থিক সাহায্যের অপেক্ষায় থাকলেও টাকার জটিলতার কারণে বৃত্তি বিতরণে দেরি ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।


