জাতীয় সুরক্ষা আইন বা এনএসএ-তে এক পড়ুয়াকে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া দুটি মামলা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই মামলাগুলি শীর্ষ আদালতের সিনিয়র বিচারপতিদের বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা তুলনামূলক জুনিয়র বেঞ্চে উঠেছে।একটি মামলা করেছেন নয়ডার জেলাশাসক মেধা রূপম। অন্য মামলাটি এলাহাবাদ হাই কোর্টের দেওয়া রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। ওই রায়ে পড়ুয়ার আটক সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে মামলাগুলি বিচারপতি এস সি শর্মার বেঞ্চে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এই বেঞ্চকে শীর্ষ আদালতের তুলনামূলক জুনিয়র বেঞ্চ হিসেবে ধরা হয়। বিষয়টি নিয়েই আপত্তি তুলেছেন প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, প্রতিরোধমূলক আটক বা প্রিভেনটিভ ডিটেনশন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলি সাধারণ নিয়মে সুপ্রিম কোর্টের চার প্রবীণতম বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা। সেই তালিকায় রয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি বি ভি নাগারত্ন এবং বিচারপতি এম এম সুন্দ্রেশ।প্রশান্ত ভূষণের বক্তব্য, এলাহাবাদ হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে করা মামলাও সেই প্রবীণ বিচারপতিদের বেঞ্চে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা বিচারপতি এস সি শর্মার বেঞ্চে কেন উঠল, সেই প্রশ্নই তিনি সামনে এনেছেন।মামলা কোন বেঞ্চে যাবে, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্তির নিয়ম রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া মেনেই মামলা তালিকাভুক্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েই এখন আইনি মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে কোনও ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও নজর রয়েছে।
জ্ঞানেশ-কন্যার মামলা ‘জুনিয়র’ বেঞ্চে কেন? সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের
Popular Categories


