উত্তরাখন্ডের হলদওয়ানিতে মাদ্রাসা ও মসজিদ ধ্বংসের প্রতিবাদের সময় সংঘর্ষে দায়ের করা এফআইআর-এ নাম থাকা মুসলমানদের বাড়ি বাজেয়াপ্ত করছে পুলিশ।
গত ৮ ফেব্রুয়ারী ওই সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ছয়জন মুসলমান ব্যক্তি।
হলদওয়ানির প্রতিবাদে কথিত মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মালিক এবং তার ছেলে আব্দুল মুয়েদ সহ নয়জনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ জারি করেছে স্থানীয় প্রশাস।
পুলিশ এফআইআর-এ বিক্ষোভের পিছনে মূল পরিকল্পনাকারী হিসাবে তার নাম রয়েছে আব্দুল মালকের।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ আব্দুল মালিক এবং তার ছেলে আব্দুল মুঈদের বাড়ির দরজা এবং দরজার ফ্রেম সরিয়ে ফেলছে।
আদালত পুলিশকে সিআরপিসির ৮২ এবং ৮৩ ধারায় সমস্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। সিভিল কোর্টও নয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছে।
এর আগে শুক্রবার উত্তরাখণ্ডের পুলিশ মহাপরিচালক অভিনব কুমার জানান, সহিংসতার ঘটনায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি বনভূলপুরা এলাকায় মাদ্রাসা ও মসজিদ ভাঙার প্রতিবাদ করেন স্থানীয় মুসলমানরা। এ সময় সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। নিহত সাতজনের মধ্যে ছয়জন ছিলেন মুসলমান।


